বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০১৪

একটি জীবন এর গল্প...............


সেলুন এ বসে আছি। হঠাৎ এক মহিলা আসলো ভিক্ষা করতে ...মনে হলো যেন আগে ও কোথাও দেখছি...। দোকান এর মালিক  তাকে কিছু টাকা দিয়ে জিজ্ঞেস করলো তার ছেলের কি অবস্থা এখন? তখন চিনলাম তাকে......এক সময় তার ছেলে কে নিয়ে ভিক্ষা করতো রাস্তায়(ছেলে টা শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী)......কিন্তু পরক্ষনেই তার কথা শুনে আমি অবাক হয়ে গেলাম। দোকান এর মালিককে বলতেছে "ভাই, ছেলে টা এইবার ক্লাস ১০ এ উঠছে তো তাই ওরে নিয়া আর বের হই না...ও বাসায় বসে পরে"(hats off)......ভিক্ষা করে ও যে তার বাচ্চাকে পড়ায় কতটুকু সম্মান যে তার প্রাপ্য তা আমার জানা নেই...।

মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০১৪

হাত টি বাড়ান

হাত টি বাড়ান। পথ শিশুদের সাহায্য করুন। দুটি ভালো কথা তাদেরকে শুনান। আপনি কলেজে ভার্সিটিতে পড়ে দলবাজি করে মানুষকে পিটাতে পারেন, চাদাবাজি করতে পারেন, ত্রাস সৃষ্টি করতে পারেন শিক্ষিত হয়েও।
আর ওই পথ শিশুরা তো অশিক্ষিত, নোংরা পরিবেশে পড়ে থাকে সারাক্ষণ তাদেরকে যদি আমি আপনি না শেখায় বা না সাহায্য করি তবে কিভাবে আমরা তাদেরকে ভালো করে গড়ে তুলব?

আপনি ভার্সিটিতে পড়েন, কলেজে পড়েন ... রাস্তার অনাথ এই শিশুগুলোর কোনটিকে একটু কাছে ডেকে এনে দুই টাকার ঝালমুড়ি কিনে দেন বা দুটো ভালো কথা বলেন, কেমন আছে জিগ্গেস করেন দেখবেন ওরা কত্ত খুশি হয়। হতে পারে এত টুকুই আপনার জান্নাতের জন্য ওসিলা হয়ে যেতে পারে।

চোর হয়ে, নেশাখোর হয়ে তো ওরা জন্ম নেয়নি। বরং আমাদের অবহেলা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য আর পরিবেশ তাদেরকে এমন করেছে।
আমাদের উপর তাদের হক আল্লাহ লিখে রেখেছেন। আমাদের উচিত সেই হক আদায়ে সচেষ্ট হওয়া। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০১৪

রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি...অনেক গুলো লোক হাটছে পিছনে...হঠাৎ কোনো এক কথা ভেবে থেমে গেলাম...কিছু ক্ষণ তাকিয়ে দেখলাম আমার পিছনের লোকটি আমার সামনে চলে যাচ্ছে...ফলে সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্গলা।।

রাস্তায় চলার সময় গাড়ি গুলোও এই রকম সমস্যার সৃষ্টি করে...নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া কোনো জায়গায় গাড়ি থামালে পরের জন তাকে ফেলে যাওয়ার চিন্তা করে...ফলে সৃষ্টি হয় সমস্যার।। তাই আমি মনে করি দোষটা আসলে ঐ প্রথম ব্যক্তির...আর মিডিয়াতে ওভারটেক করার tendency র কথা কম বলে নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি রাখার প্রতি আহ্বান জানানো নিয়ে আরও প্রচার বাড়ানো দরকার...............

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০১৪

আমাদের সমাজে এই চিত্র খুবই সাধারন । আমরা প্রতিনিয়ত এই চিত্র দেখে থাকি । কিন্তু আমরা কি কখনো ব্যাপার টা নিয়ে গভীরভাবে ভেবে দেখেছি ? কেনো আমাদের সামনে এভাবে একদল শিশু হাসতে হাসতে স্কুলে যাবে , আর কেনো আরেকদল তা দেখবে আর কষ্ট নিয়ে থাকবে ?
তারা গরীব তাই বলে , নাকি তাদের বাবা-মায়ের পড়ানোর সামর্থ্য নেই তাই , নাকি আমরা সমাজের তথাকথিত অ-সামাজিক জীবগুলোর কারনে তাদের আজ এই অবস্থা ? আমাদের সবার ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারি । কি পারি না ? আমরা ছোটবেলায় সারমর্মে পরেছি নিশ্চই "ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা , বিন্দু বিন্দু জল ; গড়ে তোলে মহাদেশ , সাগর অতল ।"
আমাদের মহাদেশ ও গড়তে হবে না আর সাগর ও না । আমরা সবাই একসাথে মিলে কাজ করলে আমাদের সমাজে পরিবর্তন আনতে খুব বেশি সময় লাগবে বলে আমার মনে হয় না । আর আমাদের দেখে অন্যরাও এতে আগ্রহী হতে পারে । যা আমাদের সমাজের জন্য খুবি দরকারি এবং যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও অনেক বেশি প্রয়োজন । তাই এস আমরা সবাই মিলে সমাজের পরিবর্তনে এগিয়ে আসি । আর এ কাজে সবাই সাদরে আমন্ত্রিত ।